ইঞ্জিনের সংঙ্গা এবং প্রকারভেদ (Definition & Classification of Engine)

ইঞ্জিনের সংঙ্গা এবং প্রকারভেদ

ইঞ্জিনঃ ইঞিন বলতে মূলত স্বয়ংক্রিয় যন্তকে বুঝানো হয়।ইঞ্জিন হল এমন এক প্রকার যন্ত্র যা জ্বালানি দহণের মাধ্যমে তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে নিজে চলে এবং সংযুক্ত যন্ত্রাংশকে চালনা করে। এটি এক প্রকার প্রাইম মুভার। 

ইঞ্জিনের প্রকারভেদঃ ইঞ্জিন প্রধাণত দুই প্রকার। যথা-
                    ১। অন্তর্দাহ ইঞ্জিন।
                    ২। বহির্দাহ ইঞ্জিন।
১। অন্তর্দাহ ইঞ্জিনঃ যে ইঞ্জিনের অভ্যন্তরে বা কম্বাশন চেম্বারে জ্বালানি দহনের মাধ্যমে তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে অন্তর্দাহ ইঞ্জিন বলে। যেমন- পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন, গ্যাস ইঞ্জিন ইত্যাদি।
২। বহির্দাহ ইঞ্জিনঃ যে ইঞ্জিনের বাইরে জ্বালানি দহনের মাধ্যমে ঐ তাপ শক্তিকে কোন একটি মাধ্যম দ্বারা (যেমন- বায়ু, পানি ইত্যাদ) যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে বহির্দাহ ইঞ্জিন বলা হয়। যেমন- ষ্টীম ইঞ্জিন।
অন্তর্দাহ ইঞ্জিনের প্রকারভেদঃ
অন্তর্দাহ ইঞ্জিনকে আবার বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। নিম্নে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
জ্বালানির ব্যবহার অনুসারে ইঞ্জিন তিন প্রকার । যথা-
১। পেট্রোল বা গ্যাসোলিন ইঞ্জিন।               
২। ডিজেল ইঞ্জিন।                         
৩। গ্যাস ইঞ্জিন।
প্রজ্জলন পদ্ধতি অনুসারে ইঞ্জিন দুই প্রকার। যথা-
১। র্স্পাক  ইগনিশন ইঞ্জিন।                 
২। কম্প্রেশন ইগনিশন ইঞ্জিন।
চক্র সম্পাদনকারী প্রয়োজনীয় স্ট্রোকের সংখ্যা অনুসারে ইঞ্জিন দুই প্রকার। যথা-
১। চার স্ট্রোক ইঞ্জিন।                        
২। দুই স্ট্রোক ইঞ্জিন।
তাপগতিশীল চক্রকি প্রক্রিয়া অনুসারে তিন প্রকার। যথা-
১। অটো চক্র ইঞ্জিন।                      
২। ডিজেল চক্র ইঞ্জিন।                   
৩। দ্বি-প্রজ্জলন চক্র ইঞ্জিন।
ইঞ্জিন ঠান্ডা করার পদ্ধতি অনুসারে তিন প্রকার। যথা-
১। এয়ার কুল্ড ইঞ্জিন।                     
২। ওয়াটার কুল্ড ইঞ্জিন।                  
৩। ইভাপোরেটিভ কুল্ড ইঞ্জিন।
সিলিন্ডারের সংখ্যা অনুসারে ইঞ্জিন দুই প্রকার। যথা-
         ১। এক সিলিন্ডার বিশিষ্ট ইঞ্জিন।             
         ২। বহু সিলিন্ডার বিশিষ্ট ইঞ্জিন।
ইঞ্জিনের সিলিন্ডার সজ্জিত করার বিন্যাস অনুসারে ইঞ্জিন ছয় প্রকার। যথা-
         ১। ভার্টিক্যাল ইঞ্জিন।                          
         ২। হরাইজেন্টাল ইঞ্জিন।                     
        ৩। রেডিয়াল ইঞ্জিন।
         ৪। ভি-টাইপ ইঞ্জিন।                       
         ৫। অপোজড সিলিন্ডার ইঞ্জিন               
         ৬। অপোজড পিষ্টন ইঞ্জিন।
ভালভ এর অবস্থান অনুসারে ইঞ্জিন চার প্রকার। যথা-
    ১। আই হেড ইঞ্জিন।          
   ২। এল হেড ইঞ্জিন।           
  ৩। এফ হেড ইঞ্জিন।           
  ৪। টি হেড ইঞ্জিন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আমার গ্রন্থাগারের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url